Local News

১৪ বর্ষীয়া নাবালিকা মেয়েকে অপহরণের পর জোর পূর্বক বিয়ে লাগাতর ধর্ষণ

১৪ বর্ষীয়া নাবালিকা মেয়েকে অপহরণের পর জোর পূর্বক বিয়ে এবং লাগাতর ধর্ষণ

। পরবর্তী সময়ে নিত্যদিন বেদম মারধোর ও প্রাণে মারার চেষ্টা। 

কোন রকমে পালিয়ে এসে মেয়েটি তার এক আত্মীয় মারফতে একজন মহিলা সমাজসেবীর কাছে আশ্রয় নেয়। এরপর সেই মহিলার সহায়তায় পুরো ঘটনা নিয়ে থানায় অভিযোগ জানানো হয়।

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা সংঘটিত হয়েছে ধর্মনগর থানা এলাকায়। গোটা ঘটনায় অভিযোগের কাঠগড়ায় এক বিহারী যুবক। রাজ্যের অন্যতম সংস্কৃতির শহর বলে পরিচিত উত্তর জেলা সদর ধর্মনগর বিভিন্ন সময়ে নানা ধরণের অনৈতিক কার্যকলাপের সাক্ষী হচ্ছে। সেই মাদক বাণিজ্য থেকে শুরু করে ধর্ষণ করে খুন, বধূ খুন, অপহরণ ইত্যাদি অপরাধ ঘটে চলছে জেলা সদর এলাকায়।

তবে পুলিশ সাধ্যমতো আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু এরপরেও কিছু বিকৃত মানসিকতা সম্পন্ন লোক অপরাধ প্রবণতায় পিছিয়ে থাকছে না। এই অবস্থায় এবার ফের আরো একটি ঘটনায় ধর্মনগরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়লো। জানা যায়, গত ২৯ জানুয়ারি সরস্বতী পূজার রাতে সাড়ে ১০টা নাগাদ ১৪ বর্ষীয়া এক কিশোরীকে পদ্মপুর এলাকা থেকে জোর পূর্বক তুলে নিয়ে বিয়ে করে কিষান কুমার নামে বিহারের এক যুবক। ৩-৪ মাস আগে সে ধর্মনগরে কাজের সন্ধানে এসে ঘাঁটি গারে।

এরআগেও সে একবার মেয়েকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ধান্ধায় ছিল। তখন এলাকাবাসীর তৎপরতায় তার সেই  প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। বহু বছর ধরে ধর্মনগর এলাকায় ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিলেন একটি বিহারী পরিবার। সেই পরিবারের গৃহকর্তা শারীরিক অসুস্থ হওয়ায় তার স্ত্রী অন্যের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করে কোন রকমে সংসার চালান। তাদের দ্বিতীয় সন্তান কিশোরী কন্যার উপর কুনজর পড়ে বিহারের বাসিন্দা কিষান কুমারের। আর কিষাণের ভাই সুনীল রাইয়ের সাথে নাবালিকার বাবার আগে থেকে একসাথে কাজ করার সুবাদে পরিচয়

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.