২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি এখন থেকেই নিতে হবে। ৬০ টি আসনই পাওয়ার মতো জায়গায় নিয়ে যেতে হবে দলকে। বুধবার দলীয় কার্যালয়ে নবনির্বাচিত বিজেপির সভাপতি ডাঃ মানিক সাহার উদ্দেশ্যে এই কথা বললেন বিদায়ী সভাপতি তথা মুখ্যমন্ত্রী শ্রী বিপ্লব কুমার দেব।
তিনি বলেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে পার্টিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন বিজেপি একটি ব্যতিক্রমী দল। এর মূলমন্ত্র হলো নিয়মানুবর্তিতা। এটাকে সামনে রেখে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির হাত ধরে শুরু হওয়া এই দলটি আজ পৃথিবীর বৃহত্তম দল হিসেবে ইতিহাস তৈরি করেছে। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ এর যোগ্য নেতৃত্বে আগামী দিনে দলের আরো বিস্তার হবে।
সেই ভাবে নেতৃত্ব দিয়ে আগামী দিনে রাজ্যেও বিজেপিকে আরো শক্তিশালী করার জন্য নতুন সভাপতির উদ্দেশ্যে বললেন শ্রী বিপ্লব কুমার দেব। তিনি বলেন সব স্তরের কার্যকর্তা এবং রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কঠোর পরিশ্রমে দীর্ঘ বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে এই রাজ্যে বিজেপি ইতিহাস তৈরি করেছে। এই ইতিহাস বিজেপির রাজনৈতিক জীবনে অন্যতম একটি ঘটনা।
২০১৬ সালের ৬ জানুয়ারি প্রদেশ সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করে, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ত্রিপুরায় ২৫বছরের কমিউনিস্ট সরকারকে পরাজিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি আশা করি ডাঃ মানিক সাহাও গোটা টিমকে সঙ্গে নিয়ে সবকা সাথ সবকা বিকাশ, সবকা সাথ সবকা বিশ্বাস – এই দুই মন্ত্রে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাবে”।
দলের মুখিয়া হিসাবে ডাঃ মানিক সাহার কাঁদে এখন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলার এই গুরুদায়িত্ব। মুখ্যমন্ত্রী বলেন এখন থেকেই ২০১৩ সালের নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিতে হবে। তিনি বলেন আগামী নির্বাচনে ৩৬ টি থেকে বাড়িয়ে ৬০ টি আসনেই বিজেপিকে জয়ী করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। “আমি যথা সম্ভব দলকে সাহায্য করে যাব”।
আজ দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে ত্রিপুরার বিজেপি সভাপতি হিসাবে ডাঃ মানিক সাহার নাম ঘোষণা হয়েছে। দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে তাঁর নাম ঘোষণা করেন দলের সাংগঠনিক নির্বাচনের অবজারভার তথা উত্তর প্রদেশের মন্ত্রী শ্রী মহেন্দ্র সিং। ছিলেন অরেক অবজারভার, কেন্দ্রীয়মন্ত্রী শ্রী রবীন্দ্র সিং শেখাওয়াত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপ-মুখ্যমন্ত্রী শ্রী জিষ্ণু দেববর্মা।
